Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

জানা-অজানা: বিশ্বকাপ

তিন বিশ্বকাপজয়ী একমাত্র ফুটবলার পেলে

Advertisement

পারভেজ আলম চৌধুরী

পারভেজ আলম চৌধুরী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

তিন বিশ্বকাপজয়ী একমাত্র ফুটবলার পেলে

Advertisement

কত জানা-অজানা, দেখা-অদেখা, রহস্য-রোমাঞ্চের বিশ্বকাপ চার বছর পরপর আসে ঘটন-অঘটনের পসরা সাজিয়ে। স্মৃতিভারাতুর করে তোলে, বিস্ময়াভিভূত করে। স্মৃতির সরণতি ফিরে গেলে ঝাপসা ছবিগুলো ক্রমশ কুয়াশা ভেদ করে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশ্বকাপ আমাদের অতীতের অরণ্যের দিন-রাত্রিতে নিয়ে যায়। সোনালি সময়ের স্মৃতির সরোবরে সিক্ত হয়ে আমরা প্রসন্নচিত্তে ফুটবলের মায়াবী মাদকতার স্পর্শ অনুভব করি। ফুটবল কী কেবলই একটা খেলা। বিশ্বকাপ কী শুধুই একটি   বৈশ্বিক আসর। কত কিংবদন্তি খেলোয়াড় তাদের মাধুর্যমণ্ডিত ফুটবলশৈলী দিয়ে কত আসর মাতিয়েছেন।  কত সুখস্মৃতির সুরভি ছড়িয়েছেন। সেসব লিজেন্ড কখনোই বিস্মৃত হবেন না। ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতিতে চিরভাস্কর হয়ে থাকবেন তারা।

ফুটবলের রাজা পেলে দিয়ে সূচনা করাটাই শ্রেয় বোধ করি। এখন পর্যন্ত ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি পেলেই রেকর্ড তিনটি বিশ্বকাপ (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০) জেতা একমাত্র ফুটবলার। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৫৮ সুইডেন বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে কম বয়সি খেলোয়াড় হিসাবে গোল করা পেলের সুখ্যাতির চুম্বক আকর্ষণ এতটাই তীব্র ছিল যে, একবার শুধু তাকে দেখতে নাইজেরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেমে গিয়েছিল ৪৮ ঘণ্টার জন্য। ঘটনাটি ১৯৬৯ সালের। পেলের জনপ্রিয়তা তখন তুঙ্গস্পর্শী। নিজের ব্রাজিলীয় ক্লাব সান্তোসের (এখন যে ক্লাবে নেইমার খেলেন) সঙ্গে যুদ্ধকবলিত নাইজোরিয়ায় গিয়েছিলেন প্রীতি ম্যাচ খেলতে। শুধু ‘কালো মানিকের’ খেলা দেখতে সেসময় আফ্রিকার দেশটিতে দুদিনের জন্য যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে সম্মত হয়েছিল যুদ্ধরত দুই পক্ষ।

বলা হয়, জিনিয়াসরা খেয়ালি হন। নিজেদের মর্জিমাফিক চলেন। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কিংবদন্তি গোলরক্ষক লেভ ইয়াশিনকে অনায়াসে তাদের কাতারে রাখা যাবে। ‘ব্ল্যাক স্পাইডার’ নামে খ্যাত সর্বকালের অন্যতম সেরা এই গোলপ্রহরী আইস হকিতেও সুনামের সঙ্গে খেলেছেন। তার সম্পর্কে একটি মজার তথ্য দিয়ে শেষ করি। প্রতিটি ম্যাচের আগে লেভ ইয়াশিনের একটি অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। তিনি নিজেই বলেছিলেন, ‘স্নায়ু চাপ কমাতে আমি ম্যাচের আগে ধূমপান করি।’

প্রথম ও একমাত্র গোলরক্ষক হিসাবে ব্যালন ডি’ অরজয়ী লেভ ইয়াশিন তিনটি ফিফা বিশ্বকাপে (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬) সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭০ বিশ্বকাপেও তিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন দলে ছিলেন। কিন্তু কোনো ম্যাচ খেলেননি।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম