রোববার বাঁশখালী যাবেন প্রধানমন্ত্রী
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে আগামীকাল রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বাঁশখালী আসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং গৃহহীন হওয়া ১০০টি পরিবারের মধ্যে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর কথা রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বাঁশখালী পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ১০ জন করে মোট ১০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারি খরচে তাদের বাড়ি নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশেষ করে বন্যার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বাড়ি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে আরসিসি পিলার, কাঠ এবং টিন। টিনের ঘেরা ও ছাউনি দেওয়ার কারণে বাড়িগুলো ‘দুর্যোগ সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি করে কক্ষ রয়েছে। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগারও রয়েছে।
বাঁশখালী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু আহমদ বলেন, বন্যায় বাড়িঘর ভেঙে যাওয়া পরিবারগুলোর মধ্যে যাদের নতুন করে বাড়ি করার মতো সামর্থ্য নেই তাদেরই নতুন ঘর দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাধ্যমে বাঁশখালীর সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যাতে সার্বিক সহযোগিতা পায় আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাঁশখালী আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে ইতোমধ্যেই বিশাল মঞ্চ তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আগমন এলাকাগুলো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, প্রধানমন্ত্রী রোববার চট্টগ্রামের তিনটি উপজেলার সফর করবেন। এর মধ্যে বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারকে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে ইতোমধ্যে বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষে হয়েছে।
