ভূমিকম্পে উদ্ধার কাজে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত: দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী
বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আয়োজি এক অনুষ্ঠানে স্পিডবোট হস্তান্তর।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর রয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সেখানে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।
তিনি বলেন, বড় ধরনের ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত জরুরি। আমাদের এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক দরকার। এর মধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। শিগগিরই তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত উপকূলীয় এলাকার ১২টি জেলায় ১২টি উদ্ধারকারী স্পিডবোট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দুলু বলেন, ঢাকা মহানগরে যদি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়, তাহলে উদ্ধারকৃত লোকজনকে জমায়েত ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর যত যন্ত্রপাতি রয়েছে, তার তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারিভাবে কার কার হেলিকপ্টার রয়েছে, তাদের তালিকাও সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী প্রকৌশলী এম ইকবাল হোসাইন এমপি, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইফুর ইসলাম এবং জাইকার প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাতউদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ, বন্দর ইউএনও শিবানী সরকার, বন্দর থানার ওসি জামালউদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

