ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে ইট নিক্ষেপের সময় ওসি আহত, পাশের থানায় আশ্রয়
Advertisement
ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে ধরতে গিয়ে জনতার ইটের ঢিলে ওসি মাহবুব আলম গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে ইট নিক্ষেপ করে তারা। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টায় ফতুল্লার পঞ্চবটি চাঁদনী হাউজিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে নিয়ে নিজ থানায় না গিয়ে অন্য পাশের সদর থানায় আশ্রয় নেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাঁদনী হাউজিংয়ের হাজির বাড়ির ভাড়াটিয়া জাকির হোসেন (৬৫)। তিনি রোববার রাতে নিজ ঘরের মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ডেকে এনে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় পাশের রুমের নারীরা দেখে ডাক-চিৎকার দেন। এতে আশপাশের ভাড়াটিয়াসহ শতশত নারী-পুরুষ এগিয়ে আসেন। তখন ভয়ে ধর্ষণ চেষ্টাকারী জাকির হোসেন শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে দরজা লাগিয়ে নিজ ঘরে আত্মগোপনে যান। খবর পেয়ে জাকিরকে আটক করে পুলিশ। এদিকে এলাকাবাসী নিজেরাই জাকিরের বিচার করতে চান। তাকে জনতার হাতে ছেড়ে দিতে বলেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, তখন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলমের নেতৃত্বে প্রায় ২০/২২ জন পুলিশ সদস্য এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর জাকিরকে আটক করে গাড়িতে উঠানোর সময় তাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন স্থানীয় জনতা। এ সময় ইটের আঘাতে ওসির মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন। জাকিরকে ধরে গাড়িতে উঠিয়ে পাশের সদর থানায় আশ্রয় নেন ওসি। এরপর ওসিকে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, জাকিরের বিরুদ্ধে শত শত এলাকাবাসী প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আমিসহ পুলিশ অফিসাররা এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে শান্ত করে ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে গাড়ি উঠাই। এ সময় উশৃঙ্খল কিছু লোকজন জাকিরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন ইটের আঘাত লাগে আমার মাথায়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। জাকিরের বিরুদ্ধে মামলা হবে।
