আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতাল, ভোগান্তি রোগী-স্বজনদের
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
চমেক হাসপাতালে সকালে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন রোগী ও রোগীর স্বজনরা। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগী ও তাদের স্বজনরা।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে চমেক হাসপাতাল পরিচালকের দাবি, বিদ্যুৎ না থাকার ঘোষণায় হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চালু রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে জেনারেটরের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট বিদ্যুতবিহীন অবস্থায় থাকতে হয়েছে। পরে পিডিবির বিদ্যুৎ আসায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
জানা গেছে, শুক্রবার ঘোষণা দিয়ে স্টেডিয়াম এলাকার একটি ফিডারের আওতায় মেরামত কাজের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত স্টেডিয়াম এলাকার আরও কয়েকটি ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। চমেক হাসপাতালও ওই ফিডারের আওতাধীন। এ অবস্থায় শনিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় চমেক হাসপাতালের রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে থাকা ছয়টি এক্স-রে মেশিন চালানো সম্ভব হয়নি। একই কারণে আলট্রাসনোগ্রাফির মেশিনও চালু রাখা যায়নি। ফলে এসব পরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারসহ বিদ্যুৎ নির্ভর বিভিন্ন সেবাতেও বিঘ্ন ঘটে। অনিশ্চয়তার কারণে দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা অনেককেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ফিরে যেতে দেখা যায়।
জানতে চাইলে পিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের (স্টেডিয়াম) নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, জরুরি মেরামত কাজের জন্য আগে থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও জরুরিভিত্তিতে কাজ শেষ করে চমেক হাসপাতালের লাইন চালু করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ‘শনিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জেনারেটর দিয়ে সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি জেনারেটর থেকে অন্য জেনারেটরে লাইন শিফট করার সময় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এ কারণে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট হাসপাতালে বিদ্যুৎ ছিল না। পরে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতাল লাইন চালু করা হয়েছে।’
