Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

মনপুরায় কলেজ অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার যুবদলের

Advertisement

Icon

মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম

মনপুরায় কলেজ অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার যুবদলের

অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মিয়া।

Advertisement

ভোলার মনপুরায় কলেজ অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার হাজিরহাট সদর উপজেলা মডেল মসজিদে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে ।

উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ডা. কামাল উদ্দিনের নির্দেশে এ হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আহত অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মিয়া। তিনি ভোলা নাজিউর রহমান কলেজে কর্মরত। তিনি মনপুরা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ।

এদিকে রোববার রাত ১১টায় মনপুরা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা ও সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিম।

তারা জানান, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালে মো. মহিউদ্দিন মিয়া অন্যায়ভাবে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সেলিমকে চাকরিচ্যুত করেন। সেই কারণে সেলিম অধ্যক্ষের ওপর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। এতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নন। 

একইভাবে অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা জড়িত নন বলে জানান উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ও সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মিয়া তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মো. সেলিমকে চাকরিচ্যুত করেন। এ ঘটনায় চাকরি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেন সেলিম। 

ওই চাকরিচ্যুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেলিমসহ তার আত্মীয়স্বজনরা মডেল মসজিদে সাবেক অধ্যক্ষের গতিরোধ করে কথা কাটাকাটি করেন। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও মারধর করেন বলে স্থানীয়রা জানান। পরে আহত অবস্থায় অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মিয়া জানান, অসুস্থ বাবাকে দেখতে পরিবার নিয়ে মনপুরায় আসেন তিনি। মডেল মসজিদে নামাজ শেষে হাদিসের তালিমের পর যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা তার ওপর হামলা করে আহত করেন। উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ডা. কামাল উদ্দিনের নির্দেশে এ হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের চাকরিচ্যুত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সেলিম জানান, অবৈধভাবে কেন তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, তা জানতে সাবেক অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং তিনি উল্টো তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তার ওপর হাত তোলেন।

এ ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ডা. কামাল উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের চাকরিচ্যুতির ঘটনা নিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে গন্ডগোল হয়েছে। এতে বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেউ জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি।

মনপুরা থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম