Logo
Logo
×
   

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

সহবাসের পর যে তিন কাজ করা হারাম

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

সহবাসের পর যে তিন কাজ করা হারাম

Advertisement

ইসলামে পবিত্রতা অর্জন অনেক মর্যাদাপূর্ণ আমল। কারণ আল্লাহ নিজে পবিত্র, বান্দার পবিত্রতাও তিনি পছন্দ করেন। 

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন—‘তোমরা যদি অপবিত্র অবস্থায় থাকো, তবে নিজেদের শরীর (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নাও।’ (সুরা মায়েদা: ৬)

সাধারণত সহবাস, স্বপ্নদোষ, মেয়েদের হায়েজ-নেফাস ইত্যাদি কারণে গোসল ফরজ হয়। এসব অবস্থায় ফিকহবিদদের মতে নামাজ, তাওয়াফ, কোরআন তেলাওয়াত ও স্পর্শ করা এবং মসজিদে গমন ছাড়া অন্যান্য কাজ প্রয়োজনে করা যেতে পারে।

সহবাসের পর কোন কোন কাজ করা যায় না এ বিষয়ে প্রশ্নের  বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি বলেন, স্ত্রী সহবাসের (বা স্বপ্নদোষের) পর গোসল ফরজ হয়। গোসল না করে এই অবস্থায় যে কাজগুলো হারাম বা নিষিদ্ধ, তা হলো: 

১. সালাত বা নামাজ আদায় করা, ২. পবিত্র কুরআন স্পর্শ করা বা তিলাওয়াত করা, এবং ৩. কাবা শরীফ তাওয়াফ করা। এই অবস্থায় অযু করে থাকা উত্তম, তবে গোসল ছাড়া পবিত্রতা অর্জিত হয় না।

সহবাসের পর যে কাজগুলো করা হারাম: 

নামাজ পড়া: গোসল না করে নামাজ পড়লে তা হবে না এবং এটি হারাম।

কুরআন স্পর্শ ও তিলাওয়াত: অপবিত্র অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করা এবং তিলাওয়াত করা হারাম।

তাওয়াফ: পবিত্রতা ছাড়া কাবা শরীফ তাওয়াফ করা জায়েজ নয়। 

অনেকে মনে করেন গোসল ফরজ হলে ঘরদোর ছোঁয়া বা ঘরের কাজ করা যাবে না—এটি একটি ভুল ধারণা। এ বিষয়ে হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) জানাবাত (গোসল ফরজ) অবস্থায় নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন। 

পরবর্তী সময়ে নবীজি (সা.) তাঁকে দেখে বললেন, ‘সুবহানাল্লাহ, মুমিন কখনো (সত্তা হিসেবে) নাপাক হয় না।’ (সহিহ বুখারি: ২৭৯)

গোসল করতে দেরি হলে ঘুমানোর বা পানাহারের আগে হাত-মুখ ধুয়ে নামাজের মতো অজু করে নেওয়া সুন্নত। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) জানাবাত অবস্থায় ঘুমানোর বা খাওয়ার আগে অজু করে নিতেন। (সহিহ মুসলিম: ৩০৫) 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম