রাতে ঘুম আসে না, মুক্তি পেতে ৫ খাবার খান
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাতে ঘুম না হওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া অথবা সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভব করা এখন খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। অনেকেই বলবেন, শরীর ক্লান্ত থাকলে ঠিক ঘুম আসতে চায় না। ফলে দিনে কাজ করার সময়ে দ্বিগুণ ক্লান্তি আসে। তার ওপরে ভুলে যাওয়ার সমস্যা তো আছেই। আগে যে ছোটখাটো ঘটনাগুলোও মনে থাকত, এখন তা আর থাকে না। সদ্য ঘটা ঘটনাও মগজ থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে। ভুলে যাচ্ছেন চেনা মানুষের জানা নাম, চেনা মুখও।
চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় কর্টিসল কিংবা স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ এতটাই বেড়েছে যে, তা ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া নষ্ট করছে। ফলে একদিকে যেমন ঘুমের সমস্যা হচ্ছে, ঠিক তেমনই অন্যদিকে ‘ব্রেন ফগ’-এর লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।
‘ব্রেন ফগ’ কথাটি আদতে কোনো বৈজ্ঞানিক অভিধা নয়। সাধারণত এ সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য এ শব্দটি বলে থাকেন। আচমকা ভাবনা-চিন্তা শ্লথ হয়ে যাওয়া, মনোযোগের অভাব, স্মৃতিলোপ এবং অনিদ্রার মতো নানা ধরনের সমস্যা এর উপসর্গ।
চিকিৎসকরা বলছেন, কেবল যে হরমোনের কারণে এমন হচ্ছে তা নয়, খাওয়া-দাওয়াও এর সঙ্গে জড়িত। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসও ঘুমের নানা সমস্যা ও ভুলে যাওয়ার ব্যাধির সঙ্গে সংযুক্ত। যিনি বেশি মিষ্টিজাতীয় খাবার খান, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার বেশি খান, তার এমন সমস্যা বেশি দেখা দেবে। অতিরিক্ত ক্যাফিনও মগজের জন্য ভালো নয়।
মুক্তি পেতে ৫ খাবার খান
আখরোট ও কাঠবাদাম: এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও মেলাটোনিন, যা মস্তিষ্ক সচল রাখতে ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার: কুসুম গরম দুধে থাকা ট্রিপটোফ্যান ও মেলাটোনিন স্নায়ু শান্ত করে এবং দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।
কলা: কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ট্রিপটোফ্যান পেশি শিথিল করে এবং ঘুমের মান বাড়ায়।
ফ্যাটি ফিশ: ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডে ভরপুর মাছ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং সেরোটোনিন হরমোন বাড়িয়ে ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।
টক চেরি বা চেরি জুস: এতে প্রাকৃতিকভাবে মেলাটোনিন থাকে, যা অনিদ্রা দূর করতে এবং ঘুমের সময় ও গভীরতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।
