পেট কমাতে কেন পিঠের ব্যায়াম, জানালেন কারিনার পুষ্টিবিদ
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের পুষ্টিবিদ ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ঋজুতা দিবেকরের বলেছেন, মেদহীন বা ফ্ল্যাট পেট পেতে হলে শুধু পেটের ব্যায়াম করাই যথেষ্ট নয়। কারণ পা ও পিঠের পেশি দুর্বল এবং শক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষের পেট বাইরের দিকে বেশি ঝুলে বা ফুলে থাকে। তাই মেদহীন পেট পেতে হলে পিঠের নমনীয়তা ও পায়ের শক্তি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, পিঠের পেশি যদি শক্ত হয়ে যায় এবং পায়ের পেশি দুর্বল থাকে, তবে শরীরের সঠিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে তলপেট সামনের দিকে বেশি ঝুঁকে ও ঝুলে পড়ে। পিঠের ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং এ সমস্যা দূর করে থাকে।
আপনার শরীরচর্চায় মন থাকুক বা না থাকুক— দুর্গাপূজার আগে অনেকেই ব্যায়ামে মন দেন। আবার খাদ্যতালিকাতেও নজর দেন। কড়া ডায়েট আর শারীরিক কসরত করেও যদি ফল না মেলে, তখন কী করবেন? সে উপায় জানিয়ে দিলেন পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকর। তিনি বলেন, ভাত, মাছ, মাংস— সব খেয়েই কমবে ওজন। আর তলপেট হবে নির্মেদ। সে কারণে পেটের মেদ কমাতে ক্রাঞ্চেস ও তলপেটের ব্যায়ামেই মনোযোগী হতে হবে সবাইকে। যদি দেখেন তারপরও আশানুরূপ ফল হচ্ছে না; তবে পা ও কোমরের পেশি দুর্বল হয়, তবে এ সমস্যা হতে পারে।
শুধু সমাধান বাতলাননি তিনি, খুব সহজ একটি ব্যায়াম শিখিয়েও দিয়েছেন। ব্যায়ামটি করলে শুধু নিতম্বের পেশি সবল হবে না, হজমও ভালো হবে। মেদহীন পেট পেতে হলে, এও এক আবশ্যক শর্ত। এ জন্য মেঝের উপরে উপুড় করে শুতে হবে। দুই পা থাকবে বালিশের উপরে। দুই হাত ভাঁজ করে তালু দুটি মেঝের উপরে রাখতে হবে। নিতম্বের পেশি টেনে ধরে দুই পা মেঝের সমান্তরালে রাখতে হবে। ওই অবস্থানে থেকে ঊরুর অংশটিতে নিচ থেকে উপরের দিকে চাপ দিতে হবে। এভাবে ১০ পর্যন্ত গুনতে হবে। প্রতি দিন ২-৩ বার ব্যায়ামটি করলে নিতম্ব বা কোমরের অংশের পেশির আড়ষ্টতা কমবে। এর পাশাপাশি ‘ক্রাঞ্চেস’, পেটের মেদ কমানোর ব্যায়াম করলে দ্রুত ফল মিলবে।
মেদ ঝরাতে গিয়ে অনেকেই খাদ্যতালিকা আমূল বদলে ফেলেন। প্রথমেই ভাতকে শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করে তা বাদ দেওয়া হয়। তবে ভাত, ডাল, সবজি, মাছ কিংবা মাংস যে কোনো খাবার খেয়েই ওজন ঝরানোর পক্ষপাতি ঋজুতা। তাড়াহুড়ো নয়, সময় নিয়ে ওজন কমানোরই পরামর্শ দেন এ পুষ্টিবিদ। কারণ তাতে স্বাস্থ্যহানির ভয় থাকে না।

-6ac66de3ec001.jpg)