Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

৪৫ মিনিট সিপিআর দিয়েও বাঁচানো যায়নি নানা পাটেকরকে, হৃদরোগের যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম

৪৫ মিনিট সিপিআর দিয়েও বাঁচানো যায়নি নানা পাটেকরকে, হৃদরোগের যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না

Advertisement

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারতের গোয়ায় নিজের বাসভবনে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দিয়েও তাকে বাঁচাতে পারেননি। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মণিপাল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শেখর সালকারের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। 

নানা পাটেকরের মৃত্যু আবারও সামনে এনেছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এবং জরুরি মুহূর্তে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার গুরুত্ব। হৃদযন্ত্রের এই সমস্যা অনেক সময় কোনো স্পষ্ট পূর্বাভাস ছাড়াই দেখা দেয়। তবে ঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন অন্তর্নিহিত হৃদরোগ বা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতার কারণে আগে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব লক্ষণ চিনতে পারা, হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সিপিআর দেওয়ার পদ্ধতি জানা জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া কী, কেন বিপজ্জনক?

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এমন একটি জরুরি অবস্থা, যখন হৃৎপিণ্ড হঠাৎ কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে দেয়। এতে মস্তিষ্কসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছানো ব্যাহত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি অচেতন হয়ে যেতে পারেন এবং স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার আগে কখনো কখনো বুকে অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক ক্লান্তির মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে এসব উপসর্গ সবার ক্ষেত্রে দেখা যায় না। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁপানোর মতো অস্বাভাবিক শব্দও করতে পারেন, যা স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস বলে ভুল করা উচিত নয়।

এটি এমন একটি জরুরি অবস্থা, যেখানে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত সিপিআর শুরু করা এবং প্রয়োজন হলে স্বয়ংক্রিয় বহিঃস্থ ডিফিব্রিলেটর (এইডি) ব্যবহার আক্রান্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক ও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কি এক?

হার্ট অ্যাটাক এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এক নয়।

হার্ট অ্যাটাক: হৃৎপিণ্ডের পেশিতে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে হার্ট অ্যাটাক হয়। সাধারণত করোনারি ধমনিতে চর্বিযুক্ত আস্তরণ ফেটে সেখানে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে এমনটি ঘটে।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট: এটি মূলত হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রমের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর ফলে হৃৎপিণ্ড কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না।

হার্ট অ্যাটাক থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে। তবে সব হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় না। আবার আগে থেকে শনাক্ত না হওয়া হৃদরোগ বা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতার কারণেও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের আগে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে

চিকিৎসকদের মতে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট সাধারণত আকস্মিক হলেও এর ঝুঁকি বাড়ায় এমন অন্তর্নিহিত হৃদরোগের কারণে আগে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে নতুন, অস্বাভাবিক বা বারবার ফিরে আসা লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়।

সম্ভাব্য সতর্কসংকেতগুলো হলো—

  • অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট: আগে যে কাজ সহজে করা যেত, এখন সেই কাজেই হাঁপিয়ে ওঠা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
  • অকারণ ক্লান্তি: পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভব করা।
  • কাজ করার সক্ষমতা কমে যাওয়া: স্বাভাবিক হাঁটাচলা বা শারীরিক পরিশ্রমে আগের তুলনায় বেশি কষ্ট হওয়া।
  • মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: বিশেষ করে বারবার অজ্ঞান হওয়া কিংবা শারীরিক পরিশ্রমের সময় এমন ঘটনা ঘটলে।
  • বুক ধড়ফড় করা: হৃদ্‌স্পন্দন হঠাৎ খুব দ্রুত, অনিয়মিত বা অস্বাভাবিকভাবে অনুভূত হওয়া।
  • বুকে অস্বস্তি বা ব্যথা: বুকে চাপ, ভারি ভাব, ব্যথা কিংবা অস্বস্তি অনুভব করা।

এসব লক্ষণ মানেই যে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হবে, তা নয়। রক্তস্বল্পতা, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, উদ্বেগসহ নানা কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে নতুন বা অজানা কারণে এসব সমস্যা হলে, দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা ঘন ঘন বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রমের সময় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা বুক ধড়ফড়ের সঙ্গে মাথা ঘোরা, বুকে ব্যথা বা অজ্ঞান হওয়ার উপক্রম হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সব সময় তীব্র হয় না

অনেকে মনে করেন, হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে অসহনীয় ব্যথা হবেই। বাস্তবে উপসর্গ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • বুকের মাঝখানে ব্যথা বা অস্বস্তি।
  • ব্যথা বা অস্বস্তি হাত, কাঁধ, চোয়াল, ঘাড় কিংবা পিঠে ছড়িয়ে পড়া।
  • শ্বাসকষ্ট।
  • বমি বমি ভাব বা বমি।
  • মাথা হালকা লাগা বা অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি।
  • ঠান্ডা ঘাম হওয়া এবং ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।

বয়স্ক ব্যক্তি ও ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে কখনো কখনো বুকে ব্যথা কম হতে পারে, এমনকি প্রচলিত লক্ষণ ছাড়াও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

তাই শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, ঘাম, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা ও বুকে অস্বস্তির মতো লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে সেগুলোকে শুধু বয়স, গ্যাস, মানসিক চাপ বা পরিশ্রমের ফল বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। হার্ট অ্যাটাকের সন্দেহ হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

ভারতের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এআইআইএমএস), সাফদারজং হাসপাতাল, পিজিআইএমইআর এবং ভারতীয় চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের গবেষকদের অংশগ্রহণে পরিচালিত একটি গবেষণায় আকস্মিক মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে পুরুষের সংখ্যা নারীর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। এ বয়সিদের আকস্মিক মৃত্যুর ৪২ দশমিক ৬ শতাংশের কারণ ছিল হৃদরোগজনিত সমস্যা। এ ক্ষেত্রে করোনারি ধমনির রোগ ও মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক ছিল প্রধান কারণগুলোর মধ্যে।

গবেষণায় ৪৬ থেকে ৬৫ বছর বয়সিদের আকস্মিক মৃত্যুর ৭২ দশমিক ১ শতাংশের সঙ্গে হৃদরোগজনিত কারণের সম্পর্ক পাওয়া যায়।

তবে এসব পরিসংখ্যান দিয়ে নানা পাটেকরের মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা যায় না। তার মৃত্যুর প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে চিকিৎসা ও ময়নাতদন্তের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল হৃদরোগ ও রক্তনালির রোগে। ওই বছর বিশ্বে মোট মৃত্যুর প্রায় ৩২ শতাংশের জন্য দায়ী ছিল এসব রোগ।

কেউ হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে কী করবেন?

কেউ হঠাৎ পড়ে গেলে এবং সাড়া না দিলে অপেক্ষা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, করণীয়গুলো হলো—

১. সাড়া ও শ্বাসপ্রশ্বাস পরীক্ষা করুন: ব্যক্তিটি সাড়া দিচ্ছেন কিনা দেখুন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নিলে বা শুধু হাঁপানোর মতো শ্বাস নিলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে বলে সন্দেহ করুন।

২. জরুরি সহায়তা ডাকুন: সম্ভব হলে কাউকে এইডি আনতে বলুন।

৩. দ্রুত সিপিআর শুরু করুন: প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বুকের মাঝখানে দুই হাত রেখে জোরে ও দ্রুত চাপ দিন। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১২০ বার বুক চাপ দিতে হবে। গড়পড়তা প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে বুক অন্তত ৫ সেন্টিমিটার গভীর পর্যন্ত চাপতে হয়।

৪. এইডি থাকলে ব্যবহার করুন: স্বয়ংক্রিয় বহিঃস্থ ডিফিব্রিলেটর হৃদ্‌স্পন্দন বিশ্লেষণ করে এবং প্রয়োজন হলে বৈদ্যুতিক শক দিতে পারে। যন্ত্রটির নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

৫. সহায়তা আসা পর্যন্ত চালিয়ে যান: আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে সাড়া দিতে শুরু না করা পর্যন্ত অথবা প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মীরা দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত সিপিআর চালিয়ে যেতে হবে।

প্রশিক্ষণ না থাকা কোনো ব্যক্তি যদি প্রাপ্তবয়স্ক কাউকে হঠাৎ পড়ে যেতে দেখেন, তাহলে জরুরি সহায়তা ডাকার পাশাপাশি শুধু বুক চাপ দেওয়ার পদ্ধতিতে সিপিআর শুরু করতে পারেন।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঝুঁকি কমানো যায় কীভাবে?

সব ধরনের কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট আগাম অনুমান করা বা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। কিছু ঘটনা আগে থেকে শনাক্ত না হওয়া হৃদযন্ত্রের গঠনগত বা বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে ঘটে। তবে হৃদরোগের অনেক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, নিয়মিত রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। বিশেষ করে বয়স বাড়লে বা হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে এ বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

ঝুঁকি কমাতে—

  • ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করুন।
  • শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম ও হাঁটাচলা করুন।
  • সুষম ও হৃদস্বাস্থ্যকর খাবার খান।
  • উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়মিত গ্রহণ করুন।
  • অস্বাভাবিক বা বারবার দেখা দেওয়া উপসর্গ অবহেলা করবেন না।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার আগে সব সময় স্পষ্ট সতর্কসংকেত পাওয়া যায় না। তাই প্রতিটি ক্লান্তি বা শ্বাসকষ্টকে আসন্ন বিপদের লক্ষণ মনে করে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে নতুন বা অস্বাভাবিক উপসর্গের যথাযথ মূল্যায়ন এবং কেউ হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে দ্রুত সিপিআর শুরু করা জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি হেলথ

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে নানা পাটেকরের মৃত্যু: শরীর কি আগে থেকে সতর্কবার্তা দেয়?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে নানা পাটেকরের মৃত্যু: শরীর কি আগে থেকে সতর্কবার্তা দেয়?

হৃদরোগের ৫ নীরব সংকেত, শরীরে দেখা দিলে হোন সতর্ক

হৃদরোগের ৫ নীরব সংকেত, শরীরে দেখা দিলে হোন সতর্ক

যেসব ছোট লক্ষণ হতে পারে স্ট্রোকের বড় সতর্কবার্তা

যেসব ছোট লক্ষণ হতে পারে স্ট্রোকের বড় সতর্কবার্তা

হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে গাজরের জুস কতটা উপকারী?

হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে গাজরের জুস কতটা উপকারী?

যে কারণে ৩০ আগেই দ্বিগুণ হতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

যে কারণে ৩০ আগেই দ্বিগুণ হতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

বিশ্ব হার্ট দিবস: হৃদরোগ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

বিশ্ব হার্ট দিবস: হৃদরোগ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

আরও পড়ুন

ঘরে বসেই বুঝবেন লিভারের সমস্যার লক্ষণ, শরীরের যে ৪ পরিবর্তন খেয়াল করবেন

ঘরে বসেই বুঝবেন লিভারের সমস্যার লক্ষণ, শরীরের যে ৪ পরিবর্তন খেয়াল করবেন

৪৫ মিনিট সিপিআর দিয়েও বাঁচানো যায়নি নানা পাটেকরকে, হৃদরোগের যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না

৪৫ মিনিট সিপিআর দিয়েও বাঁচানো যায়নি নানা পাটেকরকে, হৃদরোগের যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না

সন্তান বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে ভেবে চিন্তিত? মা-বাবার করণীয়

সন্তান বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে ভেবে চিন্তিত? মা-বাবার করণীয়

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে নানা পাটেকরের মৃত্যু: শরীর কি আগে থেকে সতর্কবার্তা দেয়?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে নানা পাটেকরের মৃত্যু: শরীর কি আগে থেকে সতর্কবার্তা দেয়?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম