Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

পুরুষের বন্ধ্যত্বের সমাধানে কার্যকর এই ৪ পদ্ধতি

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম

পুরুষের বন্ধ্যত্বের সমাধানে কার্যকর এই ৪ পদ্ধতি

Advertisement

সন্তান না হওয়ার জন্য অনেক সময় নারীকেই দায়ী করা হয়। অথচ বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে নারী ও পুরুষ উভয়েরই। শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া, গুণগত মানের ঘাটতি কিংবা শুক্রাণুর চলাচলে সমস্যা থাকলে পুরুষের বাবা হওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ সমস্যাকে বলা হয় পুরুষ বন্ধ্যত্ব।

তবে পুরুষ বন্ধ্যত্ব মানেই বাবা হওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যার ধরন ও কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে অনেক ক্ষেত্রেই সন্তান লাভ সম্ভব। এ জন্য রয়েছে চার ধরনের চিকিৎসাপদ্ধতি।

১. জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যের উন্নতিতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ধূমপান ত্যাগ, মাদক ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা, নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানোর মাধ্যমে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

২. ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা নির্দিষ্ট কিছু সংক্রমণের কারণে বন্ধ্যত্ব দেখা দিলে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা সম্ভব। তবে সমস্যার কারণ নির্ণয় না করে নিজে থেকে কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।

৩. অস্ত্রোপচার

ভেরিকোসিল বা শুক্রাণু পরিবহনের পথে কোনো বাধা থাকলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। পরীক্ষার ফল ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।

৪. আধুনিক প্রজননপ্রযুক্তি

স্বাভাবিক উপায়ে গর্ভধারণ সম্ভব না হলে সহায়ক প্রজননপ্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে।

  • আইইউআই: বিশেষ প্রক্রিয়ায় শুক্রাণু প্রস্তুত করে সরাসরি জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয়।
  • ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ): পরীক্ষাগারে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়। পরে তা জরায়ুতে স্থাপন করা হয়।
  • ইন্ট্রাসাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম ইনজেকশন (আইসিএসআই): একটি শুক্রাণু সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। গুরুতর পুরুষ বন্ধ্যত্বের কিছু ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

টোটকা নয়, প্রয়োজন সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা

পুরুষ বন্ধ্যত্বের সমস্যায় অনেকে নানা টোটকা বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার আশ্রয় নেন। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শারীরিক ক্ষতির ঝুঁকিও থাকে। তাই সন্তান ধারণে সমস্যা দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শুক্রাণু পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যার কারণ শনাক্ত করে উপযুক্ত চিকিৎসা বেছে নিতে হবে। হতাশ না হয়ে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার পথে এগোলে অনেক দম্পতির জন্যই বাবা-মা হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ডায়াবেটিস রোগের জন্য আমলকী কতটা উপকারী

ডায়াবেটিস রোগের জন্য আমলকী কতটা উপকারী

বায়ুদূষণে ফুসফুসের সুরক্ষায় ভুল মাস্ক পরছেন না তো?

বায়ুদূষণে ফুসফুসের সুরক্ষায় ভুল মাস্ক পরছেন না তো?

থাইরয়েড থেকে মস্তিষ্ক— আয়োডিনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যেসব অঙ্গ

থাইরয়েড থেকে মস্তিষ্ক— আয়োডিনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যেসব অঙ্গ

শীতে ব্যায়ামের আগে পান করতে পারেন ৭ প্রাকৃতিক পানীয়

শীতে ব্যায়ামের আগে পান করতে পারেন ৭ প্রাকৃতিক পানীয়

ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্থ থাকতে প্রতিদিন যে ৮ নিয়ম মেনে চলা জরুরি

ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্থ থাকতে প্রতিদিন যে ৮ নিয়ম মেনে চলা জরুরি

৩০-এর আগেই বাড়ছে চোখের প্রেশার! গ্লকোমার নেপথ্যে লুকিয়ে প্রতিদিনের এক অভ্যাস

৩০-এর আগেই বাড়ছে চোখের প্রেশার! গ্লকোমার নেপথ্যে লুকিয়ে প্রতিদিনের এক অভ্যাস

আরও পড়ুন

পুরুষের বন্ধ্যত্বের সমাধানে কার্যকর এই ৪ পদ্ধতি

পুরুষের বন্ধ্যত্বের সমাধানে কার্যকর এই ৪ পদ্ধতি

সাত-আট ঘণ্টা ঘুমালেই হবে না, সুস্থ থাকতে মানতে হবে ৪টি নিয়ম

সাত-আট ঘণ্টা ঘুমালেই হবে না, সুস্থ থাকতে মানতে হবে ৪টি নিয়ম

ডায়াবেটিস রোগের জন্য আমলকী কতটা উপকারী

ডায়াবেটিস রোগের জন্য আমলকী কতটা উপকারী

সন্তানের এইচএসসির ফল খারাপ হয়েছে? অভিভাবকের যা করণীয়

সন্তানের এইচএসসির ফল খারাপ হয়েছে? অভিভাবকের যা করণীয়

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম