ককরোচ পার্টির শীর্ষ নেতাদের কোথায় নিয়ে গেছে পুলিশ, যা জানা গেল
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শীর্ষ তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই আটক হলেন তারা। আটকের পর তাদের কোথায় নিয়ে গেছে পুলিশ, তা নিয়ে চলছে জল্পনা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) মুম্বাই থেক্ তাদের বহনকারী বিমান দিল্লি বিমানবন্দরের অবতরণের পর বিমান থেকেই তাদের আটক করা হয়। খবর এনডিটিভির।
উড়োজাহাজের ভেতরে ধারণ করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, নারী পুলিশ সদস্যরা ৩০ বছর বয়সি দীপকে এবং অন্য দুই নেতাকে আটক করছেন। এ সময় পুলিশের উদ্দেশে দীপকে বলেন, ‘আমি এখানে গ্রেফতার হতেই এসেছি। আমাকে গ্রেফতার করুন। আমি আপনাদের ভয় পাই না।’
জবাবে এক পুলিশ সদস্য বলেন, ‘এটি গ্রেফতার নয়। স্যার, দয়া করে সহযোগিতা করুন।’
এরপর দীপকে বলেন, ‘আমার ব্যাগটি নিতে দিন।’
এনডিটিভিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, সিজেপির তিন নেতাকে পৃথক স্থানে নিয়ে গেছে পুলিশ। অভিজিৎ দীপকেকে গুরগাঁওয়ের একটি আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লির আলাদা দুটি স্থানে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরগাঁওয়ের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ।
ভোট চুরির অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টিরর প্রতিবাদ কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে।
নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে শুক্রবার রাত ৯টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করেছে বিজেপি সরকার।
গতকাল শুক্রবার আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছিলেন, তিনি ও তার পরিবার সিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ অন্তত ৬০০ জনকে আটক করেছে। বিক্ষোভ ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
শনিবার সকাল ৬টা থেকেই দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় কঠোর ট্রাফিক বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যান চলাচলের পথ পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ব্যারিকেড ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশ মোতায়েন করে গাড়ি পরীক্ষা এবং জনসাধারণের চলাচলে নজর রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া মেট্রো পরিষেবায় বিধিনিষেধ, একাধিক ট্রেন বাতিল এবং রাজধানীর কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও কার্যকর রয়েছে।


